document.write(' আজ ১৩ ডিসেম্বর। মানিকগঞ্জ,সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ, নীলফামারী এবং বগুড়া মুক্ত দিবস মানিকগঞ্জের গোলাইডাঙ্গা, সূতালড়ি, আজিমনগর বায়রা, নিরালী সাটুরিয়া, নারচি, বালিরটেক, গাজিন্দা, মানরাসহ বিভিন্ন স্থানে পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিবাহিনীর সম্মুখ যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে গোলাইডাঙ্গায় ৭০ জন পাক হানাদার মারা যায়। এর পরদিন পাক বাহিনী হেলিকপ্টারে আরও সৈন্য বৃদ্ধি করে গোলাইডাঙ্গা গ্রামে হামলা চালিয়ে কয়েকশ ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়। শহীদ হন ৫৬ জন। ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই মুক্তি বাহিনীর আক্রমনে পাক সেনারা মানিকগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে পিছিয়ে আসতে শুরু করে। ১৩ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল আক্রমনে পাকবাহিনী মানিকগঞ্জ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। মুক্ত হয় মানিকগঞ্জ। ১২ ডিসেম্বর রাতে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্বাদের সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এতে পালিয়ে যায় পাকবাহিনী। ১৩ ডিসেম্বর ভোরে কামারখন্দ নিয়ন্ত্রনে নেয় মুক্তিবাহিনী। ওড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা। নীলফামারী এবং বগুড়ায় জেলাও এ দিনে মুক্ত হয়');